মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স
সোনার বাংলাকে শ্মশান বাংলায় পরিণত করতে মাদক এক ভয়ংকর অভিশাপ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে লাখো শহীদের রক্তবিধৌত এই বাংলার জমিনে। মাদকাসক্তের সংখ্যা বিবেচনায় বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বের মধ্যে সপ্তম।
শিশু-কিশোর-যুবা-বৃদ্ধা-নারী-পুরুষ-নির্বিশেষে মাদকের ভয়াল থাবার শিকারে পরিণত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। বাংলাদেশের গবেষকরা বলছেন, ৭৩ লাখ মাদকাসক্ত সারা বাংলায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে, যাদের বেশির ভাগ তরুণ। মোট জনগোষ্ঠী ১৬ কোটির অনুপাতে এ সংখ্যা কতটা ভয়াবহ, তা সহজেই অনুমেয়। বাংলাদেশের মোট গ্রামের সংখ্যা ও মাদকাসক্তের সংখ্যার যদি অনুপাত বের করা হয়, তাহলে তা রীতিমতো আঁতকে ওঠার মতো বিষয়। ৬৮ হাজার গ্রামের প্রতিটিতে গড়ে ১০৭ জনের ওপরে মাদকাসক্ত পাওয়া যাবে। গবেষকরা বলছেন, মাদকাসক্তদের মধ্যে নারীর সংখ্যা ১০ থেকে ১৫ শতাংশ। মাদকাসক্তদের ৯১ শতাংশই কিশোর, তরুণ ও যুবক বয়সী।
বাংলাদেশের কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, কারাবন্দি মানুষের মধ্যেও ৩৫ শতাংশের বেশি মাদকসংক্রান্ত অপরাধের সঙ্গে জড়িত।
বাংলাদেশে একসময় মাদক হিসেবে ফেনসিডিল বহুল প্রচলিত থাকলেও ১৯৯৯ সাল থেকে ক্রেজি ড্রাগ ইয়াবা ধীরে ধীরে ওই জায়গা দখল করে নেয়। অতি সম্প্রতি ইয়াবার চেয়েও ভয়ংকর ‘খাট’ নামে পরিচিত এক মাদক এনপিএস (নিউ সাইকোট্রফিক সাবটেনসেস) বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। ইয়াবার চেয়েও ভয়ংকর ড্রাগস এই ‘খাট’ অভিজাত এলাকার যুবক-যুবতীদের কাছে এরই মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ইয়াবার বিকল্প হিসেবে অনেকে ‘খাট’ সেবন করছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বলছে, মাদকাসক্তদের মধ্যে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ইয়াবা ব্যবহার করছে। ২০০৯ সালে বাংলাদেশে যেখানে এক লাখ ২৯ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছিল, সেখানে ২০১৭ সালে চার কোটি ইয়াবা আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জাতিসংঘের মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (ইউএনওডিসি) মতে, উদ্ধার হওয়া মাদকের এই সংখ্যা বিক্রি হওয়া মাদকের মাত্র ১০ শতাংশ। সেই হিসাবে বছরে শুধু ইয়াবা বড়িই বিক্রি হচ্ছে ৪০ কোটির মতো, প্রতিটির দাম ২০০ টাকা হিসাবে যার বাজারমূল্য প্রায় আট হাজার কোটি টাকা।
একবিংশ শতাব্দীর সভ্যতার বিষফোড়া, দুর্বৃত্ত রাষ্ট্র মিয়ানমার বাংলাদেশের কাছে সমুদ্রসীমা হারানোর প্রতিশোধ হিসেবে ইয়াবা অস্ত্র ব্যবহার করে বাংলাদেশের সর্বনাশ ঘটাতে অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। ইয়াবার উৎপাদন ও বাজারজাত পুরোপুরি মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দাখিল করা বিজিবির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের কেন্দ্রীয় সংসদ ও দেশটির শান প্রদেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা, মংডু ও বুথিডং এলাকার সীমান্তরক্ষী, সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তা, কাস্টমস, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি ইয়াবা কারবারের সঙ্গে জড়িত। তাদের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ২৬টি স্থানে ৪৯টি কারখানা গড়ে তোলা হয়েছে। মাদকপাচার প্রতিরোধে ইয়াবা কারখানা এবং এর মালিকদের একটি তালিকা মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ। পরিতাপের বিষয় হলো, মিয়ানমার ওই তালিকার ব্যাপারে কোনো সাড়া দেয়নি এবং ইয়াবা বন্ধে কোনো ধরনের সহযোগিতাও করছে না; বরং ইয়াবা যে মিয়ানমার থেকে আসছে, এটিও তারা মানতে চায় না।
বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ থেকে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার প্রাণপণ সংগ্রাম করছে। কিন্তু মাদক সে প্রচেষ্টার পথে শুধু বড় হুমকিই নয়, বরং এটি অর্থনীতিতে ভয়ংকর রক্তক্ষরণ ঘটাচ্ছে ক্রমবর্ধমান হারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি যেমন বড় হয়েছে, তেমনি মানুষের ক্রয়ক্ষমতাও বেড়েছে। ফলে মাদক বিক্রির পরিধিও বেড়েছে। মাদক কারবার দেশের অর্থনীতিকে যেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, এর কয়েকটি দিক তুলে ধরা যাক—এক. মাদক আমদানির পেছনে ব্যয়িত একটি বিরাট অঙ্কের অর্থ দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। দুই. মাদক কারবার অবৈধ হওয়ার কারণে এর মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ নিরাপদ রাখতে কারবারিদের দেশের বাইরে টাকা পাচারের প্রবণতা লক্ষণীয়। বাংলাদেশে মাদকদ্রব্যের অবৈধ অর্থনীতির আকার এখন বেশ বড়। যদি শুধু বড় কারবারি হিসেবে ধরা হয়, তাহলে সে রকম মাদক কারবারি আছে পাঁচ হাজারেরও বেশি। অন্যদিকে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী সারা দেশে প্রায় ৩০ লাখ মাদক কারবারি রয়েছে। তিন. অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন থাকায় এ খাত থেকে অর্জিত অর্থ অন্য জায়গায় বিনিয়োগ হয় না। চার. যে ব্যক্তি মাদকের জন্য টাকা ব্যয় করছেন, তিনি যদি মাদকাসক্ত না হতেন, তাহলে সে টাকা অর্থনীতির অন্য কোনো বৈধ খাতে ব্যয় হতো। পাঁচ. মাদকের বিস্তার লাভের সঙ্গে শরীর ও সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধপ্রবণতা বেড়ে যাওয়ার প্রত্যক্ষ সম্পর্ক রয়েছে। মাদকের সঙ্গে চুরি, ছিনতাই, হত্যা, ডাকাতির মতো অনেক অপরাধ জড়িত। মূলত মাদক কেনার অর্থ জোগাড় করতে গিয়েই কিশোর-তরুণরা ব্যাপকভাবে নানা অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। এ সুযোগে মাদক কারবারি, সংঘবদ্ধ অপরাধীচক্র খুন, অপহরণ, চাঁদাবাজিসহ নানা কাজে তাদের ব্যবহার করছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক সময়ের তথ্যানুযায়ী ৮০ শতাংশ খুনের সঙ্গে মাদকাসক্তরা জড়িত। ছয়. এ ছাড়া মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নানা রোগের কারণে স্বাস্থ্য খাতে প্রচুর অর্থ খরচ হচ্ছে। সাত. মাদকাসক্তরা স্বাস্থ্যজনিত কারণে দেশজ উৎপাদনে ভূমিকা রাখতে পারে না। উপরন্তু তারা পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য বোঝা হয়ে তাদেরও উৎপাদনশীলতা ব্যাহত করে।
মাদকের ভয়াবহতা উপলব্ধি করে সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে। জিরো টলারেন্স বলতে কী বোঝায়? প্রশাসনিক, আইনগত, বিচারিক ও সামাজিকভাবে মাদকের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধকে জিরো টলারেন্স বলে। দৃশ্যমান প্রশাসনিক জিরো টলারেন্স কৌশল হিসেবে বন্দুকযুদ্ধকে বেছে নিয়েছে সরকার। সঙ্গে চলছে গ্রেপ্তারও। গত বছরের ২৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদে মাদক নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন পাস হয়েছে। ইয়াবা, কোকেন, হেরোইন পরিবহন, কেনাবেচা, কারবার, সংরক্ষণ, উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, হস্তান্তর, সরবরাহ ইত্যাদি অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবনের বিধান রয়েছে। মাদক বহনের পরিমাণ অনুযায়ী সাজা কমবেশির বিধান রাখা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনে অর্থ বিনিয়োগ, সরবরাহ, মদদ ও পৃষ্ঠপোষকতা দিলেও একই ধরনের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এই প্রথম মাদকসেবী ও মাদক কারবারির পাশাপাশি মাদক কারবারে পৃষ্ঠপোষক বা অর্থলগ্নিকারী, মদদদাতাদেরও কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করা হয়েছে নতুন আইনে। তবে বিচারের চিত্রটি আশাপ্রদ নয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৭ সালে মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে মোট ১১ হাজার ৬১২টি। মামলায় মোট আসামি করা হয়েছে এক লাখ ৮২ হাজার ৮৩২ জনকে। ওই বছরে মাত্র দুই হাজার ৫৩৯টি মামলা আদালতে নিষ্পত্তি হয়েছে। এসব মামলার দুই হাজার ৬৮০ জন আসামির মধ্যে বেশির ভাগই খালাস পেয়েছে। অন্যদিকে জিরো টলারেন্সের আওতায় মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন এখনো তেমন দৃশ্যমান নয়।
শুধু বন্দুকযুদ্ধ ও কঠোর আইন দিয়ে মাদক প্রতিরোধ সম্ভব নয়। তদুপরি মাদক কারবারের সঙ্গে কোনো কোনো এলাকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সম্পৃক্ততারও প্রমাণ মিলছে। একটি বিদেশি মিডিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে কারা মহাপরিদর্শক জানান, কারা অধিদপ্তরের কিছু কর্মচারীও মাদকের সঙ্গে জড়িত বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাঁদের অনেকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়েছে। মাদক কারবারের সঙ্গে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার বিষয়টিও প্রমাণিত। কাজেই বন্দুকযুদ্ধে সাময়িক স্বস্তি মিললেও মাদক সমস্যার টেকসই সমাধান মিলবে বলে প্রতীয়মান হয় না। মাদকের ভয়াবহ অভিশাপ থেকে পরিত্রাণ পেতে কয়েক দফা প্রস্তাব—এক. মাদকদ্রব্যের জোগান তথা অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকায় স্থাপিত স্মার্ট ডিজিটাল বর্ডার সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড টেকটিক্যাল রেসপন্স সিস্টেমের সহায়তা নেওয়া আবশ্যক। সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম স্থাপনের ফলে সীমান্তে যেকোনো ধরনের মুভমেন্ট সম্পর্কিত ছবি ও ভিডিও সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ কক্ষের মনিটরে দেখা যায়। দুই. মাদকবিরোধী কঠোর আইনে বিচার বিলম্বিত হওয়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। কর্মরত অতিরিক্তি জেলা জজ কিংবা দায়রা জজদের নিয়ে মাদকদ্রব্য অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠনের কথা বলা হয়েছে। ৩১ মার্চ ২০১৮ তারিখে প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী অধস্তন আদালতে মোট বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ২৮ লাখ ৯২ হাজার ১৩৭। মামলার ভারে জর্জরিত বিচারকরা মাদক মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সক্ষম হবেন না, এটিই নির্জলা সত্য।
মাদকের ভয়াবহতা বিবেচনায় মাদকের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সাময়িক ব্যবস্থা হিসেবে নিম্ন আদালতের অবসরপ্রাপ্ত সৎ ও দক্ষ বিচারকদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। এজলাসের স্বল্পতার কথা বিবেচনা করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে এবং অন্য সময় যখন আদালত বন্ধ থাকে তখন বিচারকার্য পরিচালিত হবে। তিন. মাদক কারবারকে কঠোরভাবে নিরুৎসাহ করতে মাদকের মামলায় জড়িত ব্যক্তির উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি ছাড়া সব সম্পত্তি তদন্ত চলাকালে জব্দ এবং দোষী সাব্যস্ত হলে রাষ্ট্রের বরাবরে বাজেয়াপ্ত করার সুস্পষ্ট বিধান করতে হবে। এ বিষয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিদ্যমান বিধানটি জটিল এবং চার. মাদক প্রতিরোধের সর্বাপেক্ষা কার্যকর উপায় হচ্ছে মাদকদ্রব্য ও মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলা। মাদকাসক্তির কুফল সম্পর্কে শিক্ষা প্রদান। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যেরূপ বাংলাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা একই সময়ে একযোগে রাস্তায় দাঁড়িয়েছিল, তদ্রূপ সচেতনতামূলক ব্যবস্থা মাদকবিরোধী আন্দোলনেও গ্রহণ করা যেতে পারে। মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া, ফেসবুক, ইন্টারনেট, বিলবোর্ডে মাদকের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রচারণার ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। পাঁচ. পর্যাপ্ত জনবল, যানবাহন ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির প্রকট অভাবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাল-তলোয়ারবিহীন নিধিরাম সর্দার। জনবল, যানবাহন, প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে শক্তিশালী ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে। ছয়. দেশের ভেতরে অধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলে খুদে মাদক কারবারিরা অর্থ উপার্জনের জন্য মাদক কারবারের বদলে বৈধ উপার্জনের পথ বেছে নিতে উৎসাহিত হবে। সাত. মাদকাসক্তদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পর্যাপ্ত সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে। আট. মাদক কারবারিদের আত্মসমর্পণ, স্বেচ্ছায় অপরাধ স্বীকার। এটি যেন অপরাধের দায়মুক্তিতে পরিসমাপ্ত না হয়। এরূপ হলে অন্য মাদক কারবারিদের বিচার বৈধতার সংকটে পড়বে।
মাদকাসক্ত ও মাদক কারবারিরা—পরিবারে, সমাজে আমাদের আশপাশেই বাস করে। প্রিয় মাতৃভূমিকে মাদকের অভিশাপ থেকে বাঁচাতে আসুন আমরাও মাদকের বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণু হই।
মোঃ জাকির হোসেন।
লেখক : অধ্যাপক, আইন বিভাগ,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
zhossain@justice.com


No comments